টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলার বাংড়া ইউনিয়নের কাগমারী ইছাপুর গ্রামে বসতবাড়ির আঙ্গিনায় অনুমোদনহীন ব্রয়লার ফার্ম পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. শহিদুল ইসলাম পরিবেশ অধিদপ্তর টাঙ্গাইল কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,গত ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে মো. শহিদুল ইসলাম পরিবেশ অধিদপ্তরে অভিযোগটি দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে একটি শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি গ্রহণ করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম তালুকদার। শুনানিকালে তিনি বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনেন এবং অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পান।
শুনানিতে বিবাদী সাকেরের স্ত্রী স্বীকার করে বলেন,“আমাদের কোনো অনুমোদন নেই,নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রও। আমরা এভাবেই দীর্ঘদিন ধরে মুরগি পালন করে আসছি। বর্তমানে তিনটি সেডে প্রায় ১ হাজার ৫০০টি মুরগি পালন করা হচ্ছে।”
এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম বলেন,“অনুমোদন ছাড়া ফার্ম পরিচালনা করা আইনত অপরাধ। বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (২৮ জানুয়ারি ২০২৬) পরিবেশ অধিদপ্তরের একটি টিম সরেজমিনে তদন্ত পরিচালনা করে।এসময় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর,টাংগাইল কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক তাপস পাল।
ভুক্তভোগী মো. শহিদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন,“দীর্ঘদিন ধরে আমার বড় ভাই সাকের অনুমোদন ছাড়াই আমার বসতবাড়ির আঙ্গিনায় ব্রয়লার ফার্ম চালিয়ে আসছে। বারবার নিষেধ করার পরও জোরপূর্বক ফার্ম চালু রাখে। প্রথমে আমার ঘরের একেবারে পাশে ছিল, পরে ঘরের অপরপাশে স্থানান্তর করা হয়। ফার্মের দুর্গন্ধে বসবাস করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। বাধ্য হয়ে প্রায় দুই বছর ধরে আমি বাড়ি ছেড়ে আছি। এলাকাবাসীকেও একাধিকবার জানিয়েছি,কিন্তু কোনো সমাধান হয়নি। বাধ্য হয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরে অভিযোগ করেছি। আমরা এর স্থানী সমাধান চাই ।”
উল্লেখ্য যে,অভিযোগ ধায়ের করায় সে নানা ভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর।তার নামে কালিহাতি থানায় একটি মামলাও রয়েছে।











