টাঙ্গাইল জেলার হত্যা, দস্যুতা, চাঁদাবাজি ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং ১১টি মামলার আসামি মো. আরিফুর রহমান শান্ত (২৮)কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল।
র্যাব জানায়, দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে তারা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৯ জুলাই ২০২৬ দুপুর ২টা ৪০ মিনিটের দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বটতলা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দীর্ঘদিন পলাতক থাকা আরিফুর রহমান শান্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত শান্ত টাঙ্গাইল জেলার অপরাধ জগতের সক্রিয় সদস্য। তার বিরুদ্ধে হত্যা, দস্যুতা, চাঁদাবাজি, নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মোট ১১টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১২ নভেম্বর রাত পৌনে ১২টার দিকে শান্তর নির্দেশনা ও প্রত্যক্ষ মদদে তার সহযোগীরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের এলেঙ্গা পৌরসভা এলাকায় নাশকতা চালায়। তারা মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি, লাকড়ি ও যানবাহনের টায়ারে আগুন ধরিয়ে সড়ক অবরোধ করে। এতে মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় এবং দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়।
এ ঘটনায় পরদিন ১৩ নভেম্বর ২০২৫ কালিহাতী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ এবং The Explosive Substances Act, 1908-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর থেকেই শান্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেপ্তার এড়াতে দেশের বিভিন্ন স্থানে ছদ্মবেশে আত্মগোপনে ছিলেন।
গ্রেপ্তারের পর তাকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কালিহাতী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব জানিয়েছে, সন্ত্রাস, নাশকতা ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে তাদের গোয়েন্দা নজরদারি এবং বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।










