১৯৭১ সনের স্বাধীনতা অর্জনের সময়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ও ২০২৪ শের বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের বীর জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে ভাতা ও প্রাপ্তিতায় মধ্যে ব্যাপক বৈষম্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন টাঙ্গাইলের জুলাই বিপ্লবের আন্দোলনের আহত যোদ্ধা ও নিহত পরিবার।
বর্তমান বিএনপি সরকার যেন পরবর্তি অর্থবৎসরের বাজেট প্রণয়নের সময়ে বীর জুলাই যোদ্ধাদের পরিবার আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট ও সময় উপযোগী বাজেট প্রণয়নের কথা জানিয়েছেন।
যাঁতে করে ২৪শের জুলাইয়ের বীরদের জীবন যাপন সহজতর হয়। তাঁরা জানিয়েছেন যে, এই বাংলাদেশের জন্য অতীতে যাঁরা ত্যাগ স্বীকার করেছেন বর্তমান এবং ভবিষ্যতেও যাঁরা দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা দেখাবে তাঁদেরকে অবশ্যই রাষ্ট্র সম্মানের সাথে স্মরণ করবে। তবে কেউ যেন এই দেশের প্রতি ত্যাগী ব্যাক্তিদের নিয়ে কোন প্রকার নোংরা রাজনৈতি না করতে পারে, সেই ব্যাপারে বর্তমান বিএনপি সরকার রয়েছেন বা ভবিষ্যতে যাঁরাই সরকার গঠন করবেন তাঁদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
১৯৫২ ভাষা আন্দোলন ৬৯ অভ্যূত্থান ৭১ সালে স্বাধীনতা, ৭৫ অভ্যূত্থান, ৯০ স্বৈরাচার ও ২০২৪শের জুলাই বিপ্লব এসব জাতীয় ও ঐতিহাসিক ঘটনা যা আলাদা কোন বিষয় নয়, যা ঘটেছে দেশের স্বার্থে জাতীয় প্রয়োজনে। যা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে যাঁরা ৫২/৬৯/৭১/৭৫/৯০/২৪ এসবকে অনেকেই ব্যাক্তি স্বার্থে আলাদা করে ভাবতে চান, দেখতে বা দেখাতে চান, তাঁরা মোটেও জাতীয় এই শহীদ ও যোদ্ধাদেরকে ভালোবাসেনা, তাঁরাই স্বৈরাচার।
৫২ অথবা ৭১ কিংবা ২৪ এসবকে আলাদা করে যাঁরা বিচার-বিশ্লেষণ বা মজাদার টক-ঝাল টকশো করেন, মোটকথা আলাদা ভাবে দেখেন বা দেথাতে চান তাঁরা নিজের দল বা স্বার্থকে প্রধান্য দিচ্ছেন, অথবা নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যাস্ত।
তবে, আমরা ৭১ বা ২৪ কে আলাদা ভাবে দেখি না, এগুলো জাতীয় বিষয়। আমরা যখন বেঁচে থাকবনা পরবর্তিতেও কোন রকম নৈতিক প্রয়োজনেও এই রাষ্ট্রের জন্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মও যুদ্ধ করবে।











