টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এক নারী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের লাঠি দিয়ে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে মহেড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য বিভাষ সরকার নূপুরের বিরুদ্ধে।
গত শুক্রবার এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।৫১সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়,বিভাষ সরকার নূপুর হাতে একটি লাঠিসহ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে হেঁটে আসছেন।পরে তিনি একটি মাটির স্তূপের পাশে দাঁড়িয়ে সেখানে উপস্থিত এক নারীকে অশালীন ভাষায় গালি দেন।
ওই নারী এর প্রতিবাদ করলে চেয়ারম্যান প্রথমে এক ব্যক্তিকে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন।পরে ওই নারী ও তাঁর মেয়ে এগিয়ে এলে তাঁদেরও পেটাতে দেখা যায়।জানা গেছে,গত ২৭ জুন উপজেলার তেঘরী কেশব গ্রামে জমির ওপর দিয়ে জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণের জেরে এই মারধরের ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগী বাসন্তী রানীর অভিযোগ,চেয়ারম্যান রাস্তার অজুহাতে তাঁদের পৈতৃক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছেন।বাধা দিলে চেয়ারম্যান নিজেই লাঠি দিয়ে তাঁকে,তাঁর স্বামী ও মেয়েকে মারধর করেন।স্থানীয়দের অভিযোগ,এর আগেও চেয়ারম্যান বিভিন্ন সময় ওই পরিবারকে হয়রানি ও হুমকি দিয়েছেন।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে বিভাষ সরকার নূপুর বলেন,ওই মহিলা ভালো না।বাউন্ডারির বাইরেও স্কুলের ৫-৬ ফুট জায়গা আছে।উপেন্দ্রর চলাচলের জন্য সেখানে রাস্তা করার সময় ওই মহিলা বাধা দেন।এ জন্য তাঁদের কঞ্চি দিয়ে পিটিয়েছি।ওই ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান বাদশা মিয়া বলেন,একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির কাছ থেকে এ ধরনের ঘটনা কখনো কাম্য নয়।তাঁর উচিত ছিল আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সুন্দর একটি সমাধান করা
এ বিষয়ে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও)খান সালমান হাবীব জানান,লিখিত অভিযোগ পেলে এ ঘটনার প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।











