টাঙ্গাইল ০৮ বাসাইল- সখিপুর আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রির দায়িত্ব পেয়েছেন। আজ মহামান্য রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদ ভবনে এ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানকে মন্ত্রী হিসেবে শপথ বাক্য পাঠ করান। মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় সখিপুর বাসাইলের নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণের মাঝে খুশি ও আনন্দের জোয়ার বইছে। সখিপুর ও বাসাইল উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আনন্দ র ্যলীর আয়োজন করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজিম উদ্দিন মাস্টার, সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম মাস্টার, সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান শাজু, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আসাদ বাবুল, সখিপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সানোয়ার হোসেন সজীব সহ বিএনপির সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য এ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান পেশাগত জীবনে একজন আইনজীবী ও রাজনীতিক। তিনি কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি সফলতা ও দক্ষতার সাথে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। সখিপুর বাসাইলের জনগণের সাথে সুদীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা এবং নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে এ্যাড. আহমেদ আযম খানের। তাঁর নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণের কাছে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন নেতা। সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সাথে প্রায় চল্লিশ হাজারের মতো ভোট বেশি পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। উল্লেখ্য এই আসন থেকে ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হুমায়ূন খান পন্নী ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে টাঙ্গাইল ০৮ আসন থেকে কেউ প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী ও মন্ত্রী হয়নি। এই আসন থেকে এই প্রথম এ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন। টাঙ্গাইল – ০৮ সখিপুর-বাসাইল আসনের জনসাধারণ প্রথম মন্ত্রী পেয়ে আনন্দিত হয়েছেন।
সখিপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সিকদার মোহাম্মদ ছবুর রেজা বলেন, আমরা সখিপুর বাসাইল তথা টাঙ্গাইলবাসী গর্বিত যে আমরা স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর এই প্রথম একজন মন্ত্রী পেলাম। আমরা সখিপুর এবং বাসাইলবাসী গর্বিত এবং আনন্দিত হয়েছি।
অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান ভাই মন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন। মাননীয় মন্ত্রীর হাত ধরে আমাদের সখিপুরের আঁটিয়া বন অধ্যাদেশ সহ সখিপুর বাসাইলের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হবে এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকান্ড ও উন্নয়ন সাধিত হবে।
সখিপুর উপজেলার বিএনপির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান সাজু বলেন – এ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান তৃণমূল থেকে তিল তিল করে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক কর্মী থেকে নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। সুখে-দুঃখে এলাকার মানুষ তাঁকে পাশে পায়। আমরা সখিপুর উপজেলা বাসী সত্যিই ভাগ্যবান এবং গর্বিত বাসাইল-সখিপুর উপজেলার সন্তান হিসেবে অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানকে মাননীয় মন্ত্রী হিসেবে পেলাম। আমরা মনে প্রানে চেয়েছিলাম তিনি যেনো মন্ত্রিসভায় স্থান পান আজকে আমাদের সেই মনের আশা পূর্ণ হয়েছে। আমরা বাসাইল সখিপুরবাসী আনন্দিত এবং গর্বিত হয়েছি।
সখিপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সানোয়ার হোসেন সজীব বলেন, সখিপুর বাসাইল (টাঙ্গাইল ০৮) আসন থেকে আজ পর্যন্ত কেউ মন্ত্রী হওয়ার সুযোগ পায়নি। দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থাকা জননেতা এ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বাসাইল-সখিপুরবাসীর দীর্ঘদিনের আশা ও ভরসার প্রতীক এবং নেতাকর্মীদের বিপদে আপদে সুখ দুঃখের আশা ভরসার জায়গা। এই অঞ্চলের মানুষের প্রাণের দাবি ছিল আমাদের সখিপুর বাসাইলের প্রানের মানুষ, আমাদের প্রিয় নেতা যেনো পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পায়। আমাদের সখিপুর বাসাইলের গণমানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে।
আমাদের নেতা আজকে মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। আমরা সকলেই খুব খুশি হয়েছি আনন্দিত হয়েছি। অন্তরের অন্ত: স্থল থেকে নেতার জন্য দোয়া এবং মঙ্গল কামনা করছি। নেতার হাত ধরেই আমাদের এলাকার উন্নয়ন ও কল্যাণ সাধিত হবে।











