মোঃ মুসা মিয়া: জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী দেশকে পেছনে নিয়ে যেতে চায় না; বরং একটি ন্যায়ভিত্তিক, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চায়। যেখানে একটি শিশু উপযুক্ত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা পাবে, নিরাপদ রাস্তা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিশ্চিত হবে এবং বড় হয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ন্যায়বিচার মানে সবাইকে সমান দেওয়া নয়; বরং যার যে ন্যায্য পাওনা তাকে সেটাই দেওয়া। তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান হতে হবে—সাধারণ মানুষ হোক কিংবা রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের কেউ, অপরাধ করলে কাউকে ছাড় দেওয়া যাবে না।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, যারা আগে ক্ষমতায় ছিল তারা নির্বাচনের সময় বড় বড় প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়ন করেনি। এর ফলে সমাজে বৈষম্য, দুর্নীতি ও অপরাধ বেড়েছে। এসবের বিরুদ্ধেই যুবসমাজ “উই ওয়ান্ট জাস্টিস” শ্লোগানে প্রতিবাদে নেমেছে। জামায়াত আমির দাবি করেন, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার রাজনৈতিক দল হলো জামায়াতে ইসলামী। তাদের নেতাদের গুম করা হয়েছে, দলের নিবন্ধন ও প্রতীক বাতিল করা হয়েছে, অফিস তালাবদ্ধ করা হয়েছে, নেতাদের বাড়িঘর ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী প্রতিশোধের রাজনীতি করে না। দলটি কখনো চাঁদাবাজি বা অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জনের পথে যাবে না। দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের দমন-পীড়নের পরও তারা দেশ ও জনগণের সঙ্গে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে বলে তিনি অঙ্গীকার করেন।

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতের আমির ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের প্রার্থী আহসান হাবীব মাসুদ। এতে জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন।











