টাঙ্গাইলে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৪, সিপিসি-৩ এর পৃথক চারটি অভিযানে ৫০ বোতল নেশাজাতীয় ‘ফায়ারডিল’ ও ১১৯ গ্রাম হেরোইন উদ্ধারসহ দুই মাদক কারবারি এবং বিভিন্ন মামলার সাজাপ্রাপ্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক নির্মূল, জঙ্গি দমন, অস্ত্র উদ্ধার এবং ওয়ারেন্টভুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের গ্রেফতারে র্যাব নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন স্থানে পৃথক চারটি অভিযান পরিচালনা করে এসব আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ জুলাই বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ঘাটাইল উপজেলার আঠারদানা এলাকায় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে যাত্রীবেশে থাকা রাজশাহী জেলার মো. রাব্বি ইসলাম (২১)-কে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৫০ বোতল নেশাজাতীয় অবৈধ মাদক ‘ফায়ারডিল’ এবং একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
অপরদিকে, ১৫ জুলাই সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আশেকপুর বাইপাস এলাকায় একটি অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে যাত্রীবেশে থাকা রাজশাহীর মোছা. আম্বিয়া বেগম (৪২) ও মো. নাজিমুদ্দীন (২৫)-কে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বহন করা একটি ভ্যানিটি ব্যাগের ভেতর বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ১১৯ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করে র্যাব।
এদিকে একই দিনে পৃথক আরও দুটি অভিযানে দুই সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। বিকেল সাড়ে ৩টায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাসালিয়া এলাকা থেকে কালিহাতী থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি সোহেল (৩২)-কে গ্রেফতার করা হয়। পরে বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে সখীপুর উপজেলার নলুয়া বাজার এলাকা থেকে চেক জালিয়াতির (এনআই অ্যাক্ট-১৩৮) মামলায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি নুসরাত জাহান নুপুর (৩৮)-কে আটক করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে এবং সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব আরও জানায়, মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে তাদের নিয়মিত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।










