টাঙ্গাইলে ব্র্যাকের ঢাকা বিভাগীয় বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে| মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের হল রুমে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়|
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল-৪ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান মতিন|
এসময় পরিকল্পনা এবং সমন্বিত উন্নয়ন উদ্যোগের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো তুলে ধরেন ব্র্যাকের চিফ ফাইন্যান্স অফিসার সাব্বির আহমেদ| এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ বি এম শহিদুল ইসলাম বলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) সেলিম মিঞা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস&), আদিবুল ইসলাম , সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীন মিয়া, ব্র্যাকের জলবায়ু পরিবর্তন কর্মসূচির প্রধান আবু সাদাত মনিরুজ্জামান খান প্রমুখ|
এসময় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং সাংবাদিকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন| সভায় জানানো হয়, ২০২৫ সালে ঢাকা বিভাগের প্রতি ৮ জন বাসিন্দার মধ্যে ১ জনের কাছে ব্র্যাকের সেবা পৌঁছেছে| স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আর্থিক সেবায় অন্তর্ভুক্তি, দুর্যোগ ও সঙ্কট মোকাবিলা, নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন (ওয়াশ), জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, অভিবাসন এবং দক্ষতা উন্নয়নসহ নানাক্ষেত্রে এসব সহায়তা দেওয়া হয়েছে|
২০২৫ সালে ঢাকা বিভাগে ১৭ হাজার ৯০৯টি অতি-দরিদ্র পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ৭ হাজার ৭২৫টি পরিবার সফলভাবে অতিদারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেয়েছে| জলবায়ু সহনশীলতা বিষয়ে সহায়তা পেয়েছেন ৪ হাজার ১১৬ জন| ব্র্যাকের পক্ষ থেকে আর্থিক সেবার আওতায় এসেছেন ঢাকা বিভাগের প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ মানুষ| ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের ঋণগ্রহীতার মাঝে প্রায় ৮৬ শতাংশই নারী|
স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ক সেবা এবং সচেতনতামূলক বার্তার আওতায় এসেছেন ৩ লাখ ৮৬ হাজারেরও বেশি মানুষ| এই বিভাগেই ১ লাখের বেশি গর্ভকালীন ও প্রসব-পরবর্তী সেবা দেওয়া হয়েছে, এবং ২৫ হাজার ৪৭৫টি নিরাপদ প্রসব নিশ্চিতে সহায়তা করেছে ব্র্যাক| উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস পরীক্ষার আওতায় এসেছেন ৯০ হাজার ২৮৮ জন| একইভাবে শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ সহনশীলতা, নারী ও পুরুষের সমঅধিকারসহ নানা কর্মসূচির তথ্য জানানো হয়|
এছাড়াও এ জেলার ৩ লাখ মানুষ ব্র্যাকের আর্থিক সেবা ও সচেতনতামূলক সহায়তা পেয়েছেন| স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ক সেবা এবং সচেতনতামূলক বার্তার আওতায় এসেছেন ১৮ হাজার ৭৬৮জন| এছাড়াও, ৭০ হাজারও অধিক মানুষ অভিবাসন বিষয়ক সচেতনতা, মনোসামাজিক সহায়তা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসন সেবা পেয়েছেন|











