জুলাই জাতীয় সনদ(সংবিধান সংস্কার)বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫” অনুমোদন করা হয় দেশের সকল জনতার পক্ষ হতে। এবং গণভোটে শতকরা ৬৮.৫৯% ভোট পেয়ে “হ্যাঁ” জয়যুক্ত হয়েছে।
কিন্তু গত মঙ্গলবার(১৭ফেব্রুয়ারী’২৬)সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ আবেদনকারী হয়ে রিটটি দায়ের করেন। রিটের যুক্তিতে বলা হয়, সংবিধানই দেশের সর্বোচ্চ আইন, যা অন্তর্বর্তী সরকারসহ রাষ্ট্রের সব অঙ্গের জন্য বাধ্যতামূলক।
এর বিপরীতে সুশীল জনতারা জানিয়েছেন, যে সংবিধান মানুষের জন্য তৈরি করা হয়, মানুষ রচনা করেছেন, সেখানে দেশের ৬৮.৫৯ শতাংশ লোক বিশাল জনতা অংশ “হ্যাঁ” ভোটের পক্ষে রায় দিয়েছেন। সেখানে “হ্যাঁ” গ্রহন না করে উপায় নেই! জণগনের জন্য তৈরি সংবিধান, সংবিধানের জন্য জণগণ নয়! দেশের কল্যাণে জনগণ যা চাইবে, তাই সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে!
তবে অদৃশ্য কোন দেশদ্রোহীদের মদদে এই রিটকারীরা দেশে অস্থিরতা ও সহিংসতা ছড়িয়েছে দিতে চাইছেন। অবশ্যই রিটকারীরা স্বৈরাচার হাসিনার দোষরদের মধ্যে গণ্য হবে।
বাংলাদেশের প্রায় সকল দলের অংশগ্রহনে ১৭ অক্টোবর স্বাক্ষর গ্রহনের মাধ্যমে জুলাই বিপ্লবের “জুলাই জাতীয় সনদ”২০২৫ (সংবিধান সংস্কার) বিরুদ্ধে গিয়ে গত বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারী’২৬) অযৌক্তিক ভাবে জুলাই জাতীয় সনদের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট আবেদনকারী আরেকজন হলেন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ।
এই সকল যুক্তহীন স্বার্থপর রিট বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য মারত্মক হুমকি ও বাঁধা। জেনে বুঝে এসব রিটকারীরা দেশকে হুমকির মধ্যে ফেলে দিয়ে শাস্তি যোগ্য অপরাধ করেছেন। এই জন্য তাদেরকে জনগণের আদালতে শাস্তির হতে পারে, এমন জানিয়েছেন বাংলাদেশের সুশীল ও জ্ঞানী, পন্ডিতগণ।
জনগণের রায়ের ” হ্যাঁ” ও “জুলাই জাতীয় সনদের ২০২৫” বিরুদ্ধে গিয়ে চরম অন্যায় করেছেন রিটকারীরা। মাননীয় সুপ্রিমকোর্টের প্রতি, রিট দায়েরকারী নির্বোধ এই দুই আইনজীবীসহ ২০২৪শে বিপ্লবের বিপক্ষে যাঁরা অবস্থান নিয়ে ২৪শ -কে প্রশ্নবিদ্ধ বা শহীদ আহতদেরকে অমর্যাদা করবে বা করতে চাইবে তাঁদেরকে রাষ্ট্রদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত করে ও শাস্তির কামনা করছেন দেশের প্রায় ৭০% লোক।
এই সকল অযথা ও পীড়াদায়ক, দেশকন্টক রিটকারীদের জন্য দেশপ্রেমিক বিপ্লবী সৃষ্টি হবে না, এবং দেশকে ভালোবেসে দেশের কল্যাণের জন্য কেউ ত্যাগ বা জীবন বিসর্জন দিতে আগ্রহী হবে না ভবিষ্যতে।











