বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আগামী দিনের রাজনীতি হবে মানুষের ভাগ্য গড়া ও দেশ উন্নয়নের রাজনীতি। দেশ কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়, এ দেশ ২০ কোটি জনগণের-এই বিশ্বাস থেকেই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় যমুনা সেতু–টাঙ্গাইল–ঢাকা মহাসড়কের টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের দরুন চরজানা বাইপাস এলাকায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ আবারও স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন শুধু একটি নির্বাচন নয়, এটি হতে হবে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের দিন। তিনি বলেন, ভোটের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে শক্ত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠা করতে না পারলে আবারও গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হবে। এজন্য ভোটের আগের দিন থেকেই সবাইকে ভোট দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে যেন জনগণের ভোটাধিকার কেউ কেড়ে নিতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তারেক রহমান দাবি করেন, এই মুহূর্তে দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা একমাত্র বিএনপিরই রয়েছে এবং বাংলাদেশের প্রকৃত মালিক এ দেশের জনগণ।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটের মাধ্যমে জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ কোন পথে চলবে। আল্লাহ চাইলে ভোটের পর ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকেই দেশ গড়ার কাজ শুরু হবে। তিনি টাঙ্গাইলের তাঁতশিল্প, আনারস চাষ ও নতুনভাবে সম্ভাবনাময় পাটশিল্পের কথা উল্লেখ করে বলেন, পরিকল্পিত উদ্যোগ নিলে এসব পণ্য বিদেশে রপ্তানি করে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করা সম্ভব।
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় জেলার ৮টি সংসদীয় আসনের ধানের শীষের প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন। জনসভা পরিচালনা করেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। পরে তারেক রহমান উপস্থিত জনসাধারণের কাছে ৮টি আসনের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
এর আগে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে কয়েক দিনের সফর শেষে ঢাকা ফেরার পথে শনিবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ এবং বিকেলে টাঙ্গাইলে পৃথক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারম্যান। জনসভা শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।











